Results for Featured

একটা মেয়ের বিয়ের দিন বিদায়ের মূহুর্তে

December 06, 2019



একটা মেয়ের বিয়ের দিন বিদায়ের মূহুর্তে মেয়েটির চোখ থেকে যে কয়েক ফোটা লোনা জল গাল গড়িয়ে পড়ে সেই জলে মিশে থাকে বাবার বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার কষ্টকর ভয়াবহ এক চিৎকার। সেই চিৎকার নিশ্বাস বন্ধ করে দেয় কিছু সময়ের জন্য। বুক অসার হয়ে আসে এক মূহুর্তে ,কষ্টগুলো দম বন্ধ করিয়ে দেয় মেয়েটির কথা চিন্তা না করেই। কান্নারা সজোরে চোখ ফেটে বাইরে বেড়িয়ে আসতেই থাকে, কান্না করে মন ভরে না তখন। হাউমাউ করে কান্নার পরও কান্নাদের মুক্তি মেলে না। একটা মেয়ের বিয়ের বিদায়ী মুহুর্তের যন্ত্রনা কতটা ভয়াবহ তার পরিমাণ একটা পুরুষ কখনোই করতে পারবে না। বাবা তার রাজকন্যাটাকে যখন একটা ছেলের হাতে তুলে দেয় সারাজীবনের জন্য, সেই মূহুর্তে বাবার বুকের মাঝে বোবা চিৎকার হাউমাউ করে উঠে।সেই কান্না ছেলেটির কানে ততদিন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না যতদিন পর্যন্ত না সেই ছেলেটি তার নিজ মেয়েকে বিদায় করে দেয় অন্য আরেকটা ছেলের হাতে। মেয়েদের জীবন এক অদ্ভুত জীবন,যে জীবনে একটা মেয়ে নিজের জন্মস্থানকে আকড়ে ধরে বাচতে পারে না। জীবনের কিছুটা সময় মেয়েদের বাবার বাড়িতে কাটাতে হয় বাকিটা সময় হুট করে অপরিচিত একটা মানুষের সাথে কাটানোর জন্য পা বাড়াতে হয়। অপরিচিত একটা লোকের সাথে হুট করে মানিয়ে দেয়ার অসীম ক্ষমতা নিয়েই যেন একটা মেয়ের জন্ম হয়। তা না হলে যে মেয়েরা এই জগত সংসারে জলে ভাসা পদ্মের মত ভেসে বেড়াতো। নিজ জন্ম স্থান, নিজ শৈশবের সৃতিবিজরিত বাড়িটা ছেড়ে যখন একটা মেয়ে শশুড়বাড়িতে পা বাড়ায় তখন তার ভেতরে একটাই শক্তি পা বাড়াতে সাহায্য করে, তা হলো অপরিচিত সেই ছেলেটির হাত দুটো। প্রতিটি মেয়েই মনের মাঝে এটুকু আশা নিয়েই বড় হয় তার স্বামী তাকে আগলে রাখবে। এই আশাটুকুই মেয়েদের পরের বাড়িতে পা বাড়ানোর প্রেরণা যোগায়। একজন স্বামী হিসেবে প্রতিটি ছেলেরই উচিত তার স্ত্রীর এই আশাটুকুর সম্মান রাখা।


একটা মেয়ের বিয়ের দিন বিদায়ের মূহুর্তে একটা মেয়ের বিয়ের দিন বিদায়ের মূহুর্তে Reviewed by NINDOOK LIFE on December 06, 2019 Rating: 5

গরিবের বোধহয় ভালোবাসা উচিত না।

December 04, 2019

আমরা অনেকেই হয়তো ভালোবাসা কি তা জানিনা।
আমার কাছে মনে হয় ভরসা সম্মান যত্ন এটাই ভালোবাসা।
কিন্তু বর্তমান ভালোবাসা গুলো কি আসলে সম্মান ভরসা দিয়ে হয়?
আসলেই হয়না।
বর্তমান ভালোবাসা গুলো সুন্দর টাকা স্মার্টনেস দেখে হয়।
আর গরিবের বোধহয় ভালোবাসা উচিত না।
কারন তাদের কারন দামী প্যান্ট থাকেনা।
ব্রান্ডের জামা থাকেনা।।
ব্রান্ডের জুতা থাকেনা।
ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্টে নিয়ে খাওয়ানোর যোগ্যতা থাকেনা।
কিন্তু তাদের এক বুক ভালোবাসা থাকে।।
আজ স্মার্ট দেখে প্রেম করেন টাকা দেখে প্রেম করেন।
কাল যখন আপনার শরীর ভোগ করে উষ্টা দেয় তখন সব ছেলে জাতি খারপ।
আপনি লাফ দিয়ে উঠে বলেন ছেলে মানেই বেইমান।
আসলে সব ছেলে বেইমান না।
আপনি প্রেম করেছেন প্লেবয়দের সাথে।।
ছেলেটা আপনাকে ভালোবাসেনি আপনি অতিরিক্ত বিলাসিতা
করতে গিয়ে ধোকা খেয়েছেন।
আজ কেন সব ছেলে খারাপ?
আর কিছু ছেলেরা কম যায়না।
প্রেম করার সময় রাস্তায় প্রেম করা মেয়ে খোজেন।।
লিটনের ফ্লাটে যাওয়ার মতো মেয়ে খোজেন।
যখন রুম ডেট করার অফার করেন বারন করলেই আপনি
গলা উঁচিয়ে চিৎকার দিয়ে বলেন তুমি আমাকে ভালোবাসোনা।।
ভালোবাসা কি লিটনের ফ্লাটে যাওয়ার জন্য।
ভালোবাসা কি হট পিক দেয়ার জন্য?
প্রেম করে লিটনের ফ্লাটে নিয়ে ধর্ষন করে ভিডিও ধারন করতে পারেন।
বিয়ে করতে সমস্যা কি আপনার?
বিয়ের সময় কেন হুজুর খোজ করেন?
আপনার ধর্ষন করা মেয়েটাকে কে বিয়ে করবে?
আপনার তো বোন আছে তাইনা?
আপনার মতো প্লে বয়দের অভাব আছে?

#অবশেষে এটাই বলব মেয়েরাই সাবধান হোন।
প্রেম করার নামে বয়ফ্রেন্ডের ইচ্ছা পুরন করতে গিয়ে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিয়েন না।
আপনাকে কেউ ভালোবাসলে আপনার শরীর চাইবে না।
আপনি বারন করলে রাগ করবে না বিয়ে অবধি অপেক্ষা করুন।
আর নিজেকে শকুনের হাতে ছেড়ে দিয়েন না সামান্য সুখের জন্য।


গরিবের বোধহয় ভালোবাসা উচিত না। গরিবের বোধহয় ভালোবাসা উচিত না। Reviewed by NINDOOK LIFE on December 04, 2019 Rating: 5

(অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প)

November 03, 2019
(অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প)
গল্পটা খুব কষ্টের, চোখে পানি আসবেই
আমার পাসের বাসার একটা মেয়ে,নাম
মিম...
আর আমার নাম ইমন।
মিম আর আমি ২.জনেই খুব ভালো বন্ধু।
বলতে পারেন একজন আর একজনকে ছাড়া
চলে না।
হঠাত করে একদিন আমি, মিম, কে মজা
করতে করতে বল্লাম মিম, I lov u ...
ও বলে,
শুন ইমন আমি তোকে ভালবাসতে পারবো
না।
তুই সুধু আমারর বন্ধু ।
এই কথা বলেই চলে গেল আটকাতে পারলাম
না।
এভাবেই দিন যেতে লাগল কিন্তু বালিকা
তো আমাকে ভালবাসেনা কি যে করি।
বলতে বলতে বালিকার ফোন।
ওই, ইমন, কি করছ?
তোর কথাই ভাবতাছি, মিম!
চুপ থাক খাইছোছ?
না!!! তুই খাইছোছ, মিম?
হ্যা খাইছি !!
তুই এখনি খেয়ে নে৷ আর মাঠে
তাড়াতাড়ি আয়৷
আচ্ছা ৷
বলেই লাফাতে লাগলাম৷ বালিকার মনে
হয়ত আমার জন্য ভালবাসা
জাগছে৷ তাড়াতাড়ি খেয়ে গেলাম৷ গিয়েই
বললাম৷
কিরে মিম? হঠাৎ জরুরি তলফ
হুম৷সামনে আমাদের এক্সাম রে৷ তাই খুব
টেনশনে আছি
কোনো চিন্তা করিস না৷ ফেইল করলে
তরে আমি বিয়া করমু৷ তারপর দুইটা ক্রীকেট
খেলার টিম বানামু৷ তর এক দল, আমার
একদল৷ বলেই হা হা হা করে হাসি দিলাম
কিন্তু হাসি দেওয়ার পর কি ঘটল তা আমি
কেন? আমার চোখও বিশ্বাস করতে পারল
না৷ এমন ভাবে আমার গালে চড় মারল যেন
গাল দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে৷ চড়টা মেরেই
মিম বলা শুরু করল তকে বন্ধু করেই জীবনের
বড় ভুল করছি৷ আজ থেকে আমাদের বন্ধুত্ব
এখানেই শেষ৷ বলেই চলে গেল৷ আর আমার
চোখ দিয়ে বৃষ্টির মত পানি পড়ছে৷ কিছুই
বুঝতে পারলাম না৷ খুব খারাপ লাগছে৷ শেষ
মেষ বন্ধুত্বটাও শেষ? কেমন জানি স্বপ্ন
স্বপ্ন লাগছে৷ তাও কিছুই করার
নেই৷ অশ্রুভরা চোখ আর বুক ভরা কষ্ট নিয়ে
বাসায় আসলাম৷ এসেই শুয়ে
পরলাম৷ বালিশটাও ভিজে গেছে৷ পুরানো
স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷ প্রতিদিন ওকে ফোন
দিয়ে ঘুম পারানো৷ ঘুম থেকে
জাগাতাম৷ দিনে কমপক্ষে১০০ বার ফোন৷ আর
মেসেজ তো আছেই৷ সব স্মৃতি গুলো মনে
পরছে৷ আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হলেও আমি ঠিক
আগের মতোই ফোন দিতাম৷ মেসেজ
দিতাম৷ মিম খুব বিরক্ত ফীল করত৷ তারপরও
কথা বলতে চাইতাম৷ হঠাৎ একদিন দেখলাম
মিম পার্কে এক ছেলের সাথে হেসেহেসে
কথা বলছে৷ যেন কলিজাটা ছিড়ে
যাচ্ছে৷ তাই বাসায় এসে পড়লাম৷ বুকটা
ব্যাথা করছে৷ তাই ভাবলাম মিমকে একটা
ফোন দেই৷ অনেকবার কল হওয়ার পর রিসিভ
করল
মিম বুকে ব্যথা করতেছে। ব্যথা করা
ভালো। এখন আমাকে আর ডিস্টার্ব করবি
না,
পরশু
আমার এক্সাম।
আচ্ছা নাপা খেলে ব্যথা যাবে?
হ্যাঁ যাবে। এখন আর ফোন দিস না
প্লিজ।
কিছুই
পড়া হয়নি।
কয়টা খাবো?
উফ্,,, তোর যতটা খেতে মন চায় খা।
প্লিজ
ইমন
আর না।
লাষ্ট, ভালোবাসিস??
ইমন এসব কথার কোন মানেই হয় না
আমরা
জাস্ট
ফ্রেন্ড তর অনুরোধে কিন্তু ২য় বার ফ্রেন্ড
হইছি৷ তাই যা বলছ ভাল করে বুঝে বলিস
থ্যাঙ্কস মিম রাখি।
ওকে রাখ। আর ভবিষ্যৎ এ যেন এমন কথা
আর
না শুনি?
ওকে।
ফোনটা কেটে দিলাম। একসময় মিম
মেয়েটা সারাক্ষণ আমার খবর নিত এখন আর
নেয়
না।
আর জিজ্ঞেস করেনা : "কাউকে পছন্দ করিস
কিনা
ইমন?" আর আগের মতো কি করতে হবে
বলেনা। হঠাৎ বুকের ভিতরে আবার চিপ
দিয়ে
উঠে বুকটা চেপে ধরে একটু বিছানায় শুয়ে
পড়লাম খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বিছানা
থেকে উঠে আমাকে
নাপা
খেতে হবে। কয়টা খাব?? মিম তো
বলেই দিয়েছে যতটা ইচ্ছে খেতে পারে।
সবগুলো ওষুধ মুখের ভিতরে পুরে ঘুমিয়ে
পড়লাম
কাক ডাকা ভোরে উঠে পড়ে মিম।
মোবাইল চেক করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে
"যাক আজ কোন ম্যাসেজ ও নাই মিসড কল ও
নাই।"
পড়ায় মনোযোগী হয়৷ মিম মন দিয়েই পড়তে
থাকে হঠাৎ মনটা যেন কেমন কেমন করছে
তবুও ভালো ইমন জালাচ্ছে না। ছেলেটার
কোন
কমন সেন্স ও নাই যখন তখন ফোন
দিয়ে বলবে মিম এইটা হয়েছে এখন কি
করবো? অইটা হয়েছে বোরিং।
কয়েক ঘন্টা কেটে গেলেও মিমের মোবাইল
এর আলো জ্বলছেনা। হঠাৎ মোবাইল এ
ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো। মিমের কাছে
বোরিং হ্যাপি দুইটাই লাগলো। ম্যাসেজ
অন
করে
হতাশ হয় রবি সীম কোম্পানির এস এম এস।
রবি সীমকে কয়েকশো গালাগাল দেয় সে।
ঘড়ির ঘন্টার কাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে
কিন্ত
একটিবার এর জন্যও ইমনের মোবাইল থেকে
কল
আসেনা। হঠাৎ মিমের স্মরণ হয় গতদিনের
কথা :-
"মিম বুকে ব্যথা।"
ওর ব্রু যুগল কুঁচকে যায় মুখটা কালো হয়ে
যায়
বুকের ভিতরটা খা খা করে উঠে মন থেকে
কত
রকম ভয় করছে। রাত নটা মিম একদম পড়তে
পারছেনা বারবার ইমনের কথা মনে পড়ছে।
ইমনের
ম্যাসেজ তো তার বোরিং লাগে কিন্ত সে
কেন
এখন ইমনের ম্যাসেজ খুজছে? কিছু না
ভেবেই
ইমনের
নাম্বারে ফোন দেয়।
হ্যালো ইমন
আমি ইমনের বড় ভাই বলছিলাম। তুমি
মিম
তাই না? ইমন
তোমার কথা বলেছে এখন ও বাইরে আছে
বন্ধুদের সাথে। পরে ফোন দিও
আপনি এরকম কেঁদে কথা বলছেন কেন?
আমার কিন্ত ভয় হচ্ছে
আরেহ আমাদের বাড়িতে একজন মুরুব্বি
মারা
গেছে ওনার জন্য মন খারাপ। আর কাল
এক্সাম
যেন ভালো হয়।
ওকে ভাইয়া ইমন এলে আমার কথা
বলবেন।
মিম
কিছুই বুঝেনা ইমনকে কি সে ভালোবাসে?
এক্সামের কথা মনে পড়তেই পড়তে বসে যায়
মিম পড়ায় মন না বসলেও জোর করে পড়ছে
সে। হঠাৎ ঘুমের দেশে হারিয়ে যায় সে।
ঘুমের মাঝে কে যেন চিৎকার করছে মিম
ভালোবাসিস কন্ঠটি পরিচিত কিন্ত ধরতে
পারছেনা।
হঠাৎ ঘুম ভেংগে যায় আজ কাক ডাকার
আগেই
উঠে
গেছে। মিমের চোখে মুখে আতঙ্ক
মোবাইল টা হাতে নেয় কোন ম্যাসেজ নেই,
নেই কোন মিসড কল। মিম চায় হঠাৎ করে ই
একটা কল আসুক আর নামটা ভাসুক "Emon"
কিন্ত
নামটা
আর ভাসেনা। মিমের মনে হচ্ছে সে
ইমনকে
ভালোবাসে। ইশ যখন বলবে ইমন
ভালোবাসি
কতই না খুশী হবে সে। ভাবতেই অবাক
লাগছে।
এক্সামের পর সোজা ইমনদের বাড়িতে চলে
যায়
সে। ইমনদের বাড়িতে আগেও এসেছিল তাই
খুব
একটা কস্ট হয়নি। ইমনদের ঘরে এত মানুষ
কেন?
ইমনের বন্ধুরা সবাই এখানে ইমন কই? আগের
বার
এসেছিল তখন তো ইমন কত খুশি হয়েছিল।
ইমনের ভাই ই
মিমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইমনকে
দেখাবে
বলে। কিন্ত মিমর মনে খটকা এদিকে তো
গোরস্তান এখানে কেন আনতেছে। ইমনের
ভাই
পকেটে হাত দেয় একটা ছেড়া পাতা দেয়
মিমের
হাতে। কাগজটি পড়তে শুরু করে হ্যাঁ এটা
ইমনের
লেখা। :- "কেমন আছিস মিম? আশা করি
ভালো থাকারই কথা।
ভাইয়া
চেয়েছিল তোকে জানাতে আমার অবস্থা
ভালো না কিন্ত তোর এক্সামের এমনেই
অনেক ক্ষতি করে ফেলেছি তাই আর জানাই
নি।
এক্সাম কেমন হয়েছে? ও সরি আমিতো আর
বললেও শুনতে পাবো না। সম্ভবত তুই আমার
কবরের পাসে দাঁড়িয়ে জানিনা কোনখানে
কবর
দেওয়া হয়েছে। তবে আমি খুশি হয়েছি এই
ভেবে যে আর তোকে ডিস্টার্ব করবোনা।
আসলেই তোকে অনেক ডিস্টার্ব করেছি
মাপ
করে দিস। আর হ্যা রনি অনেক ভালো
হ্যান্ডসাম
তোর সাথে মানায় সেদিন তোদের দুজনকে
পার্কে দেখেছিলাম খুব খুশি হয়েছিলাম
আবার রনি
তুই দুজনের উপরে রাগ এসেছে। আর ও সরি
তোর এমনেই অনেক টাইম নষ্ট করেছি
সামনে
এক্সাম ভালো করে দিস। আর একটা কথা
নাপা কাজ
করেছে আমার সব ব্যথা দূর করে দিয়েছে।
থ্যাঙ্কস মাফ করে দিস। আর একটা কথা
রাগ
করিস না
"ভালোবাসি মিম?"। আবার সরি আর
জীবনেও
বলবোনা এই কানে ধরেছি। বোরিং
বোরিং
মিম ধপ করেই ইমনের কবরে বসে পড়ল৷ আর
চিৎকার করে কান্না করছে ৷ আর ওর মুখ
থেকে বের হচ্ছে, ইমন? এই ইমন? ওঠ৷ একটিবার
দেখ আমি এসেছি৷ তুই না আমাকে
ভালবাসিস ? আমিও তোকে ভালবাসিরে৷ ওঠ
ইমন ৷ ওঠ৷ তুই না দুইটা ক্রিকেট টিম বানাবি
৷ আমি রাজি রে৷নতারপরও তুই ফিরে আয়
ইমন৷ চিৎকার করে বলছে ফিরে আয়
ইমন৷ ফিরে আয় ৷ তোকে খুব ভালবাসিরে৷ ফিরে
আয়৷
কিন্তু না ইমন আর আসবে না ৷ চলে গেছে
অনেক দূর ৷ যেখানে গেলে কেউ আর ফিরে
আসেনা৷
ভালবাসার মানুষগুলোকে অবহেলা
করোনা৷ নয়ত এর ফল সারাজীবন ভোগ করতে
হবে ৷

(অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প) (অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প) Reviewed by NINDOOK LIFE on November 03, 2019 Rating: 5

আমাকে একটি নিয়ম দেখাও!

July 22, 2019


আমাকে একটি নিয়ম দেখাও! 🙂
অনিমেষ কাল ধরে চলা আসা নিয়ম!🤗💙
যে নিয়মে, ভাঙা মনে ভালোবাসা পুষে রাখা আছে অফুরন্ত ভালোবাসা! 💖💝
যে নিয়মে প্রতারণা নেই,
নেই মিথ্যে আশ্বাস! 🙃
যে নিয়মের অবাধ্য হবে না কেউ,
যে নিয়মে রাখায় অগাধ বিশ্বাস! 😊
আমাকে এমন একটি নিয়ম দেখাও,
যে নিয়মে আজীবন-আমৃত্যু আবদ্ধ থাকে দুটি প্রান একই নিশ্বাসে! 💞



*** "বেশি যারা ভাবে তারা জীবনকে উপভোগ করতে পারে না 


++-তোমার কি ঘুমাতে কষ্ট হয়?
-হুম
-আর ঘুমালে?
-তখন বেশি কষ্ট হয় তোমাকে স্বপ্নে দেখি।


+++

মিথ্যা বলা মহাপাপ, কিন্তু মেসে থাকা একটা ছেলের বলা মিথ্যা খাবার মেনু ফোনের ওপাশে তার মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে পারে।

এই হাসিমুখটা অনেক দামি।  


+++নিজের স্মৃতিশক্তি
ইদানিং নিজেকেই হয়রানি করছে,,,
থাক কোন ব্যাপার নাহ..!

+++- এই শুনো!😌
- হ্যা তোমাকেই বলছি!😪
- বিরিয়ানি খাওয়াবা কবে?😌😋
আমাকে একটি নিয়ম দেখাও! আমাকে একটি নিয়ম দেখাও! Reviewed by NINDOOK LIFE on July 22, 2019 Rating: 5

ফারহানার বিয়ে

June 17, 2019
ফারহানার বিয়ে
আজ আমার বিয়ে কিন্তু কেউ একবার ও
জিজ্ঞেস করলো না এই বিয়েতে আমার
মতামত আছে কি না।
হা হা হা মেয়েদের না কি এসব
জিজ্ঞেস করতে নাই ছেলেপক্ষ যখন আমাকে দেখতে আসলো
তারা এমন সব আচরন করলো তাতে মনে
হচ্ছিলো তারা মেয়ে না কুরবানীর
কোন গরু দেখতে আসছে।
আমাকে যখন নাম জিজ্ঞেস করলো
তোমার নাম কি?আমি বললাম ফারহানা।তারা শুনেও না শুনার ভান
করলো।আমার চুল ছোট না বড়,ভালো
ভাবে হাটতে পারি কি না আমার হাত
পায়ের নখ ঠিক আছে কি না দেখতে
লাগলো।তখন নিজের প্রতি নিজেরই
ঘৃণা লাগলো।সব এক এক পর দেখার পর ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করা হলো
আমাকে পছন্দ হয়েছে কি না কিন্তু
আমাকে একবার ও জিজ্ঞেস করা হলো
না ছেলেটাকে আমার কেমন লাগছে।
আমারও তো একটা মন আছে আমার ও
একটা পছন্দ থাকতে পারে।বাবা মা ও আমাকে কিছু জিজ্ঞেস না করেই ছেলে
পক্ষকে হ্যা বলে দিলো।
হয়তো আমি অনেক কিছুই করতে
পারতাম কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা
করে কিছুই করলাম না।তাদের কথা
চিন্তা করে নিজের সুখকে বিসর্জন দিলাম
আজকের পর থেকে আমার দেহের মৃত্যু
না হলেও মনের মৃত্যু হলো।
উৎসর্গ:সেইসব ফারহানাকে যারা
নিজের সুখ বিসর্জন করে পরিবারের
কথা চিন্তা করে।
ফারহানার বিয়ে ফারহানার বিয়ে Reviewed by NINDOOK LIFE on June 17, 2019 Rating: 5

মেয়ে

June 17, 2019
মেয়ে
মেয়ে : বাইরে আমার বয়ফ্রেন্ড আছে ওকে
ভিতরে আসতে বলি....
.
ডাক্তার : আপনি ভয় পাবেন না...
আমি খুব ভদ্র মানুষ.....
. মেয়ে : না ডাক্তার সাহেব, আপনি বুঝতে
পারেননি.... বাইরে আপনার নার্স আছে...
আর আমার বয়ফ্রেন্ড ভদ্র মানুষ না...!!!


মেয়ে মেয়ে Reviewed by NINDOOK LIFE on June 17, 2019 Rating: 5

না বলা ভালোবাসা

March 12, 2019
না বলা বলা ভালোবাসা







  1. যে তোমাকে মন থেকে ভালোবাসবে, সে
প্রতিদিন তোমার সাথে কোনো কারন ছাড়াই
ঝগড়া করবে। অকারণ অভিমান করে, শুধু শুধু
তোমাকে জ্বালাবে।

2. দেহের সৌন্দর্যের চেয়ে মনের সৌন্দর্য হাজার
গুনে শ্রেষ্ঠ।

3. রাত বাড়ছে। আমি অপেক্ষা করছি। কিসের
অপেক্ষা? আমি জানি না।




4. জানো...?
আজ তোমাকে না একটা কথা বলবো
তুমি আমার চোখে দেখা
পৃথীবির সেরা মানুষ...😍😍
কেনো জানো...?
কারণ এত মানুষ থাকতে
তুমি শুধুই আমার😘
আর কেউ আমার মনে জায়গা নেয়নি
আর কেউ তোমার মনেও যায়গা নিতে পারেনি
হতে পারত
তুমি আমার জীবনে না আসলে
কিন্তু দেখো ভাগ্য আমাদের কাছে নিয়ে এসেছে
তোমার চোখের দিকে যখন তাকাই
তখন ভাবি...।
এই সেই চোখ... যাকে আমি এতদিন খুজেছি
যার চোখে আমার জন্যে ভালোবাসা থাকবে অনেক
আমার হাত শুধু তোমার হাত দুটি সারাজীবন ধরে রাখতে চায়
তোমার হাত ধরে যে শান্তি পাই আমি
তা আমি আর কোথাও পাব না
যখন আদর করে বুকে জরিয়ে নাও
বিশ্বাস করো এর থেকে সুখের কোন যায়গা হয়না
সারাজীবন এভাবেই রেখো
আমি শুধু তোমার কাছে এইটাই চাই
জানো...
তুমি আমার জীবনে এসেছো
এইজন্য আমি নিজেকে খুব স্পেশাল মনে করি
কারণ আমি স্পেশাল কেউ না হলে
তোমাকে পেতাম বলো...?
ভালোবাসি...😍😍
ভালোবাসি তোমার সব কিছুই
ভালবাসি শুধুই তোমাকে❤️❤️

5. ক্ষমাই যদি করতে না পারো, তবে তাকে ভালোবাসো কেন?
''''আবেগ'''''

6. কিছু মানুষ আছে
যাদের কাছে রাত জাগাটা অদ্ভদ রকমের নেশা হয়ে দারায়😣
এদের একটা সোনালি অতিত ও থাকে...😍
আর অতিতের রাতগুলোতে
অনেক স্মৃতি থাকে😯
এক সময় এদের কে দেয়ালের অপর প্রান্ত থেকে
কেউ স্বপ্ন দেখাত😍
আর এরা স্বপ্ন দেখত গভীর রাতে
না ঘুমিয়ে😘
এদের স্বপ্নটা জেগে জেগে দেখতে হয়
অনাগত ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন দেখতে দেখতে🤤
রাত গভীর থেকে আরো গভীর হয়ে যায়
হয়তবা কখনোনো সকাল হয়ে যায়
তারপর ...............।।
ভুল বোঝাবুঝি
🤤শআর সম্পর্কের ভাঙ্গন 🤤😭
সম্পর্কটা ভাঙ্গতে একজনি যথেষ্ট
প্রিয়জনের চলে যাওয়া
আর সেই রাতজাগা অভ্যাস টা থেকেই যায়
রাত জাগা অভ্যাসটা স্বার্থপর হয়না কখনো
এদের রাত যখন গভীর থেকে গভীর তরো হয়
মস্তিকে তখন আবেগ ভর করে😢
তখনি ইনবক্সের SmS গুলো নিরবে পরতে শুরু করে
পরক্ষনেই প্রিয়জনের ফেইসবুক আইডিটাতে
ঘাটাঘাটি শুরু করে দেয়......।😔
আর তখন দমকা বাতাসে স্মৃতির জানালাটা খুলে যায়
বিগত দিনের ঘুরতে যাওয়া বিকেলটার কথা মনে পরে
লজ্জায় লাল হওয়া প্রিয়জনের মুখটা
😔রাতের আধারেই ভেসে উঠে😔
যতবার ভাবে ভুলে যাবে সব, ঠিক ততবারি সামনে চলে আসে
স্মৃতিগুলো হয়ত খুব আপন নয়তবা খুবই বেহায়া
নয়ত এদের দূরে ঠেলে দিলেও দূরে যায়না কেনো
মনের ছায়া পথে স্মৃতিগুলো হাটাহাটি করে কেনো
বিশ্বস্ত মানুষটার অন্য কোনো বিশ্বস্ত মানুষ আছে কি...?😔
এই কথাটা বিশ্বাস করতে পারেনা কেনো
ভাবতেই পারেনা ও যাকে মিস করছে
সে হয়ত তাকে নিয়ে টেনশনে আছে
হঠাত দুই চোখ থেকে দুই ফোটা পানি😭😭
বালিশে গড়িয়ে পরে
বন্ধ ঘরে গাঢ় অন্ধকারে
থমকে যায় একোটা মানুষ
থমকে যায় একটা স্মৃতি...।।

7. এই পৃথিবীতে ভালোবাসা কখন ও মিথ্যা হয় না...মিথ্যা হয় মানুষ... সময়..পরিস্থিতি...অথবা বয়স...!!!!
বাট এইগুলার মধ্যে দিয়েও যারা তাদের প্রিয়জন কে ভালোবাসে তাদের জন্য সারাজীবন তাদের বুকের বাম পাশে এক মুঠো ভালোবাসা জমা করে রাখে..সত্যিকারের ভালোবাসার কখন ও মরণ হয় না...বেচে থাকুক সেইসব ভালোবাসা গুলু..

8. বন্ধুত্ব এবং গোলাপের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এই যে, গোলাপ কিছুক্ষণের জন্য টিকে থাকে... কিন্তু বন্ধুত্ব হলো চিরন্তন !!!
বন্ধু মানে সুখের সাথী। বন্ধু মনে রাগ। বন্ধু মানে দুঃখ সূখের সমান সমান ভাগ। বন্ধু মানে হালকা হেসে চোখের কোনের জল। বন্ধু মানে মনে পরলে একটা ছোট কল।I 

9. আমার নয়নের মাঝে তোমার নয়ন ফেলিয়া
বেধে ছিলাম দুইটা জীবন মায়াতে
বান্ধিয়া
তুমি বুঝিবা বুঝিবা যেদিন
সেদিন ভিজাইবা সময় কান্দিয়া কান্দিয়া

10. এইটা গল্প হলেও পারত
পাতা একটা কাজটা করত
খুব লুকিয়ে বাচিয়ে রাখতাম তাকে...
সব স্বপ্ন সত্যি হয় কার
তবুও দেখতে দেখতে কাটছি
আর হাটছি যেদিক আমার দুচোখ যায় 
না বলা ভালোবাসা না বলা ভালোবাসা Reviewed by NINDOOK LIFE on March 12, 2019 Rating: 5
Powered by Blogger.